বাংলা ism
জানুন নতুন কিছু, প্রতি ঘণ্টায়
Showing 10 of 10 facts in Science & Nature
বিশাল বরফখণ্ড গলে সাগরে, কতটা বাড়ছে সমুদ্রের জল?
১৯৯২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মেরু অঞ্চলের বরফের চাদর থেকে ৭,৫৬০ বিলিয়ন টন বরফ গলে গেছে। এই বিপুল পরিমাণ বরফ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ২১ মিলিমিটার বাড়িয়ে দিয়েছে।
পৃথিবীর মাত্র ৬% জায়গায় অর্ধেক প্রজাতির বাস!
রেইনফরেস্ট বা বর্ষাবনগুলো পৃথিবীর স্থলভাগের মাত্র ৬% জুড়ে আছে। কিন্তু এখানেই বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির বসবাস। এটি প্রকৃতির এক অসাধারণ জীববৈচিত্র্যের ভান্ডার।
সাগরের তাপে রঙিন প্রবাল যেভাবে ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে। এর ফলে প্রবাল প্রাচীরগুলো তাদের রঙ হারিয়ে সাদা হয়ে যাচ্ছে, যা কোরাল ব্লিচিং নামে পরিচিত। আশির দশকে যা ৩০ বছরে একবার ঘটত, এখন তা প্রতি ৬ বছরেই ঘটছে।
পৃথিবীর ৯০% ভূমিকম্পের পেছনে রয়েছে এই একটি টেকটোনিক প্লেট
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট হলো পৃথিবীর বৃহত্তম টেকটোনিক প্লেট। এর আয়তন প্রায় ১০৩ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার। এই প্লেটকে ঘিরে থাকা ‘রিং অফ ফায়ার’ অঞ্চলেই বিশ্বের প্রায় ৯০% ভূমিকম্প ঘটে।
এক ফোঁটা জলের বিশ্বভ্রমণ: সময় লাগে হাজার বছর!
মহাসাগরের স্রোত বেয়ে এক ফোঁটা জলের পুরো পৃথিবী ঘুরে আসতে প্রায় ১,০০০ বছর সময় লাগে। এই ধীরগতির বিশ্বজোড়া যাত্রাপথকে 'ওশান কনভেয়ার বেল্ট' বলা হয়, যা পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে।
পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থান কোনটি জানেন?
বায়ুমণ্ডলের মেসোসফিয়ার স্তরটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থান। এখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে, প্রায় -৯০° সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।
হীরার ভেতর দিয়ে শব্দ ছোটে বাতাসের চেয়ে ৩৫ গুণ দ্রুত!
শব্দতরঙ্গ বাতাসের চেয়ে হীরায় প্রায় ৩৫ গুণ বেশি গতিতে ভ্রমণ করে। এর কারণ হলো হীরার পারমাণবিক গঠন অত্যন্ত দৃঢ় এবং স্থিতিস্থাপক।
কানাডা ছেড়ে রাশিয়ার দিকে পালাচ্ছে পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু!
পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু স্থির নয়। এটি কানাডা থেকে রাশিয়ার দিকে দ্রুত সরে যাচ্ছে। বর্তমানে এর গতি বছরে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার!
সৌরশিখার শক্তি: আগ্নেয়গিরির চেয়ে লক্ষ লক্ষ গুণ বেশি
একটি সৌরশিখা যে শক্তি নির্গত করে তা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী আগ্নেয়গিরির চেয়েও লক্ষ লক্ষ গুণ বেশি। সূর্যের এই প্রচণ্ড ক্ষমতা আমাদের কল্পনারও অতীত।
সূর্য একটি ব্ল্যাক হোল হলে পৃথিবীর কী হবে?
যদি আমাদের সূর্যকে একই ভরের একটি ব্ল্যাক হোল দিয়ে বদলে দেওয়া হয়, তাহলে পৃথিবীর কক্ষপথের কোনো পরিবর্তন হবে না। তবে আলো ও তাপের অভাবে পৃথিবী একটি শীতল, অন্ধকার গ্রহে পরিণত হবে।